যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর তেল অবরোধের কারণে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে অন্ধকারে ডুবে গেছে কিউবা। সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে কিউবাকে “মুক্ত” বা “দখল”—যেকোনো পদক্ষেপই নিতে পারে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে কিউবা অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। হাভানা থেকে এএফপি জানায়, প্রায় ৯৬ লাখ মানুষের এই ক্যারিবীয় দ্বীপজুড়ে জাতীয় গ্রিড সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
কিউবার বিদ্যুৎ সংস্থা ইউনিয়ন নাসিওনাল ইলেকট্রিকা জানায়, বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে। তেল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ খাত কার্যত অচল হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে পরিবহন ও পর্যটন খাতেও। ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর তেল অবরোধ জারি রাখে। অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় কিউবা সরকার প্রবাসী কিউবানদের বিনিয়োগ ও ব্যবসার মালিক হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী অস্কার পেরেজ-ওলিভা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ও প্রবাসী কিউবানদের সঙ্গে বাণিজ্যে কিউবা প্রস্তুত।
জ্বালানি সংকট, খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতিতে জনঅসন্তোষ বাড়ছে। প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল জনগণের ক্ষোভ বুঝতে পারলেও সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।