কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বুধবার এক সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ পরিকল্পনার কথা জানান।
সংসদ নেতা বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের আধুনিক কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার আইনি কাঠামোর প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, সব কওমি মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন এবং পাবলিক পরীক্ষার মাধ্যমে মান নিয়ন্ত্রণের জন্য ২০০৬ সালের গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ নামে স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ২০১৮ সালে সংসদে পাস হওয়া আইনে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে সর্বোচ্চ জামাত দাওরায়ে হাদিসের সনদকে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রির সমমান দেওয়া হয়। ওই আইনের অধীনে কওমি মাদরাসা পরিচালনায় আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়টি শিক্ষা বোর্ড অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।