চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, জঙ্গল সলিমপুরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে কামান ব্যবহার করা হবে। তিনি জানান, এলাকাটিতে দুটি স্থায়ী তল্লাশিচৌকি স্থাপন করা হবে এবং সেখানে পুলিশের হাতে প্রয়োজনীয় অস্ত্র থাকবে। সোমবার দুপুরে জঙ্গল সলিমপুরের প্রবেশমুখে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিআইজি জানান, সোমবার সকাল ছয়টা থেকে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযান শুরু হয়। দুপুর পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে, তবে আলোচিত কোনো সন্ত্রাসী ধরা পড়েনি। র্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইয়াছিন বোরকা পরে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। অভিযানে ৩ হাজার ৫৭ জন সদস্য অংশ নেন এবং দুটি ক্যাম্প—একটি পুলিশের, অন্যটি র্যাবের—স্থাপন করা হয়েছে।
আহসান হাবীব প্রশাসনকে আহ্বান জানান, জঙ্গল সলিমপুরে নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে, যাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা যায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।