Web Analytics

বাংলাদেশের বিস্তৃত কওমি মাদরাসা নেটওয়ার্ক ও প্রভাবশালী আলেম সমাজ ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে তীব্র রাজনৈতিক বিভাজনের মুখে পড়েছে। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রভাব থাকা সত্ত্বেও কওমি নেতৃত্ব আদর্শিক, প্রজন্মগত ও কৌশলগত মতপার্থক্যে বিভক্ত। নেতৃত্ব, রাজনৈতিক জোট ও ধর্মীয় শিক্ষার রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতবিরোধ এই বিভাজনকে আরও গভীর করেছে।

দেওবন্দি শিক্ষাপদ্ধতির শিকড় থেকে বেড়ে ওঠা কওমি ধারায় ১৯৮০-এর দশক থেকে বিভাজন শুরু হয়। ২০১৭ সালে দাওরায়ে হাদিস সনদের সরকারি স্বীকৃতি, ২০২০ সালে আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যু ও নেতৃত্ব পরিবর্তন, এবং ২০২১ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা এই বিভাজনকে তীব্র করে। হেফাজতে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ প্রধান কওমি দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিভক্ত থাকে। আলেমরা সংগঠনের দুর্বলতা, নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষাকে বিভাজনের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

২০২৬ সালের নির্বাচনে কওমি ঘরানার দলগুলো সীমিত ভোট ও আসন পেলেও ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবে প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়। ফলে কওমি অঙ্গনের অভ্যন্তরীণ মতানৈক্য ভবিষ্যতের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।