দ্য গার্ডিয়ানের কলামিস্ট ল্যারি এলিয়টের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্রুত এগোচ্ছে চীন। তিনি এটিকে চীনের শিল্পনীতির তৃতীয় পর্যায় বা ‘চীন ৩.০’ হিসেবে দেখিয়েছেন। প্রথমে কম খরচের উৎপাদনকেন্দ্র এবং পরে উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পশক্তি হওয়ার পর দেশটি এখন এআই খাতে অবস্থান শক্ত করছে। চীনা স্টার্টআপ মুনশটের কিমি কে৩ মডেল জুলাইয়ে উন্মোচনের পর দুই দিনের মধ্যে ব্যাপক ব্যবহারকারীর চাপে নতুন সাবস্ক্রিপশন সাময়িক বন্ধ করা হয়।
কিমি কে৩কে মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বী মডেলগুলোর সঙ্গে সক্ষমতায় প্রতিযোগিতামূলক এবং বিনামূল্যে ব্যবহারের উপযোগী হিসেবে বাজারজাত করা হয়েছে। এলিয়টের মতে, কম খরচে বা বিনামূল্যে চীনা এআই মডেল এলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। কারণ এআই খাতে তাদের বড় বিনিয়োগ ভবিষ্যতে উচ্চ মুনাফার প্রত্যাশার ওপর নির্ভরশীল।
তবে চীনের অর্থনীতিতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ ও উৎপাদনের নির্ভরতা এবং দুর্বল অভ্যন্তরীণ চাহিদার মতো দুর্বলতা রয়েছে। এলিয়ট চীনের দীর্ঘমেয়াদি শিল্পনীতি, ভর্তুকি, শুল্ক, মুদ্রানীতি ও রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগকে সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলেছেন। চীনা ওপেন-ওয়েট মডেলের কম খরচ ও সহজলভ্যতা বৈশ্বিক এআই বাজারের ব্যবসায়িক কাঠামোকেও চ্যালেঞ্জ করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।