বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে গণভোট অধ্যাদেশটি বিল আকারে সংসদে তোলা হবে না, কারণ এর কার্যকারিতা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। রোববার রাতে সংসদের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষ করে কমিটি আগামী ২ এপ্রিল সংসদে প্রতিবেদন পেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তাদের দাবি, গণভোটে পুরো জাতি অংশ নিয়েছিল এবং এর ফল কার্যকর করতে হবে। দলটির সদস্যরা মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন ও গুম প্রতিরোধ কমিশনসহ ১৫টি অধ্যাদেশে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, সরকারি দল এসব প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রভাব ফিরিয়ে আনতে চায়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কিছু অধ্যাদেশ অপরিবর্তিতভাবে পাস হবে, কিছু সংশোধিত আকারে আনা হবে এবং কিছু পরবর্তী অধিবেশনে তোলা হতে পারে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে গণভোট অধ্যাদেশের আর কোনো রেটিফিকেশনের প্রয়োজন নেই।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।