নাসার জুনো মহাকাশযানের সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপার বরফস্তরের নিচের লবণাক্ত মহাসাগরে পৃথিবীর সব মহাসাগরের মোট পানির চেয়েও দ্বিগুণের বেশি পানি থাকতে পারে। ইউরোপার উপরিভাগের নিচে বরফের স্তরের গড় পুরুত্ব প্রায় ২৯ কিলোমিটার বলে নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জুনো ইউরোপার মাত্র ৩৬০ কিলোমিটার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় মাইক্রোওয়েভ রেডিওমিটার বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ বিশ্লেষণ করে বরফের তাপীয় বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করে। ৩,১২০ কিলোমিটার ব্যাসের ইউরোপার বরফের নিচের মহাসাগরের গভীরতা ৬০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার হতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা, যদিও অঞ্চলভেদে বরফের পুরুত্ব বদলাতে পারে।
তবে শুধু পানি থাকলেই প্রাণের উপযোগিতা নিশ্চিত হয় না; রাসায়নিক শক্তি, প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং সমুদ্রের তলদেশ ও পৃষ্ঠের মধ্যে উপাদান আদান-প্রদানও দরকার। নাসার ইউরোপা ক্লিপার ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর উৎক্ষেপিত হয়েছে এবং ২০৩০ সালের এপ্রিলে বৃহস্পতির কক্ষপথে পৌঁছানোর কথা। এটি প্রায় ৫০টি অভিযান চালিয়ে ইউরোপার বরফ, ভূতত্ত্ব ও মহাসাগর সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।