ডেঙ্গু, হাম, শিশু ও বয়স্ক রোগীর চাপ বেড়ে নরসিংদীর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ধারণক্ষমতার তিন গুণের বেশি রোগী নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে হওয়ায় এখানে সড়ক দুর্ঘটনার রোগীও আসে। রায়পুরার বড় অংশসহ নরসিংদী এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত এলাকার রোগীরাও এ হাসপাতালে সেবা নিতে আসেন।
গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন হাসপাতালে তিন শতাধিক রোগী ভর্তি রয়েছে। সর্বশেষ উল্লেখিত সোমবার ভর্তি ছিলেন ৩৩৫ জন—পুরুষ ১০৫, নারী ১৩২ ও শিশু ৯৮ জন; তাদের মধ্যে ডেঙ্গু রোগী ৩০ জন। আগের দিন ভর্তি ছিলেন ৩১৩ জন। শয্যা না পেয়ে রোগীদের বারান্দার মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, আবার কোনো কোনো শয্যায় দুজন রোগী সেবা নিচ্ছেন।
ল্যাব টেকনিশিয়ান শাহ আলম বলেন, আগে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০টি পরীক্ষা হলেও এখন দেড় শতাধিক পরীক্ষা হচ্ছে, যা সীমিত জনবলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাজহারুল আলম সীমিত লোকবল ও সরঞ্জামের কথা জানান। তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ এন এম মিজানুর রহমান বলেন, হাসপাতালটি মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী চলছে এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।