Web Analytics

বছরের শেষ দিকে ও ২০২৭ সালে সম্ভাব্য শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ খরা, অতিরিক্ত তাপ, দাবানল, টাইফুন, বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু সংকটের পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরের ক্রান্তীয় অঞ্চলে অস্বাভাবিক উষ্ণ সমুদ্র পরিস্থিতি এবারের এল নিনোকে খুব শক্তিশালী করে তুলতে পারে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করেছে, এতে প্রায় ৫ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন।

চীন চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০০ দিনের অভিযান শুরু করেছে এবং আগাম সতর্কতা ও পর্যবেক্ষণব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। ৯ আগস্ট রেকর্ড তাপমাত্রার পর হংকং কর্মক্ষেত্রের নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। তাইওয়ান টানা তিন দিন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা ধরে মহড়া করেছে। ভারতের কিছু এলাকায় সেপ্টেম্বরে মৌসুমি বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে।

শ্রীলঙ্কায় এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরায় ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ পানীয় জলের সংকটে পড়েছেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আঞ্চলিক ধান উৎপাদন ৮ থেকে ১০ শতাংশ কমতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়া তাপপ্রবাহ সতর্কতা ব্যবস্থা বদলেছে। জাপান সম্ভাব্য শক্তিশালী টাইফুনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ মানা ও খাবার-পানি মজুত রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।