প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন যে বাংলাদেশে চরমপন্থা ও উগ্রবাদের কোনো স্থান থাকবে না। বুধবার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সরকার বাংলাদেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে চায় এবং কর্মসংস্থান ও সম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কাছাকাছি পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস করা হয়েছিল একটি বিশেষ দেশকে সুবিধা দিতে। তারেক রহমান জানান, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি খাতে কাজ শুরু হয়েছে এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় থাকা বিভিন্ন কার্ডকে একীভূত করে একটি ইউনিভার্সেল কার্ড চালু করা হবে। উগ্রবাদ মোকাবিলায় তিনি বিরোধী দলের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও প্রান্তিক জনগণের উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। স্বৈরাচার ও বিদেশি প্রভাব ঠেকাতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী রাষ্ট্র গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।