ছয় সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর শুরু হওয়া আঞ্চলিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই সপ্তাহান্তে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হচ্ছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যদিও লেবাননে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ ও যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যার কারণে পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ উভয় পক্ষকে পূর্ণাঙ্গ সমঝোতার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, এবং শনিবার ইসলামাবাদের সেরিনা হোটেলে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আলোচনা শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন, তার সঙ্গে থাকবেন স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। ইরানের প্রতিনিধিত্ব করবেন সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। উভয় পক্ষ আলাদা কক্ষে বসবেন, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা মধ্যস্থতা করবেন। ইরানের দশ দফা শান্তি প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালীর তত্ত্বাবধান ও মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি রয়েছে, অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরকে অপরিহার্য শর্ত হিসেবে দেখছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে গভীর অবিশ্বাস ও ইসরায়েলের অনুপস্থিতি আলোচনার অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। লেবানন ইস্যুটি যুদ্ধবিরতির সবচেয়ে বড় বিতর্ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।