Web Analytics

বাংলাদেশের জনবহুল ও সীমান্তবর্তী জেলা কুমিল্লায় গত ১০ মাসে ১২০টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা সূত্র জানিয়েছে। চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনাসহ অপরাধ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সাম্প্রতিক ছিনতাই-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাহিদা বেগমের সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম এবং সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের মৃত্যু স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

একই ১০ মাসে ৪১৩টি চুরি, ৪০টি ডাকাতি, ১৫টি অপহরণ, ৩৮টি ধর্ষণ এবং ৪৯৭টি অপমৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। পুলিশ ৬১টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে। বিভিন্ন ঘটনার প্রাথমিক তথ্যে হত্যার পেছনে কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, পারিবারিক ও জমিসংক্রান্ত বিরোধ, পূর্বশত্রুতা এবং আধিপত্য বিস্তারের কারণ উঠে এসেছে। একজন আইন বিভাগের প্রধান মাদক, সীমান্ত চোরাচালান, অস্ত্রের সহজলভ্যতা, আইন প্রয়োগে দীর্ঘসূত্রতা ও সামাজিক নজরদারির অভাবকে উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

প্রায় ৬৫ লাখ মানুষের বিপরীতে জেলায় পুলিশ সদস্য আছেন প্রায় ২,৫০০ জন, অর্থাৎ গড়ে প্রতি ২,৬০০ মানুষের জন্য একজন পুলিশ সদস্য। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান বলেন, ২,৫০০ সদস্য নিয়ে মহানগর থানা গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি জানান, ১৫ দিনের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সন্দেহে ২,২৯২ জনকে আটক করা হয়েছে; অপরাধে জড়িত নন এমনদের ছেড়ে দিয়ে অন্যদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।