বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি রিপন কাজী (৩৫) মঙ্গলবার রাতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার গগণখা এলাকায় ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানায়, পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতের বাবা মিজানুর ওরফে ভুট্টো কাজীর বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের দাবি, বাবার একাধিক বিয়ের প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। নিহতের ছোট ভাই সাব্বির কাজী অভিযোগ করেন, তাদের বাবা, চাচাতো ভাই রিফাত কাজী ও সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে রিপনকে হত্যা করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব কাজী জানান, মোটরসাইকেলে ফেরার পথে কয়েকজন তাদের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিপনের ওপর হামলা চালায়। পরে স্থানীয়রা আহত রিপনকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা মোস্তফা কাজী ও ফিরোজ কাজী নামে দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে, যা নিহতের বাবা মিজানুর কাজীর ব্যবহৃত বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।