ফিডের কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের পোলট্রি খামারিরা উৎপাদন খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। গত এক মাসে ভুট্টা, ডিওআরবি, রাইস ব্রান, সরিষার খৈল ও সয়াবিন মিলের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও ওষুধের খরচও বেড়েছে। খামারিদের মতে, মাসখানেক আগে ৩,৪৭৫ টাকার এক বস্তা ফিড এখন ৩,৬০০ থেকে ৩,৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, অথচ পাইকারিতে মুরগির দাম কেজিতে ১৪০ টাকা থেকে কমে ১৩২ টাকায় নেমেছে।
১৩ শতাংশ আর্দ্রতার ভুট্টার দাম কেজিপ্রতি ৩১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা হয়েছে। ডিওআরবির দাম ২৬ থেকে ৩৩ টাকা, রাইস ব্রানের দাম ৩৩ থেকে ৩৯ টাকা, সরিষার খৈলের দাম ৩৬ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৩৯ টাকা ৭০ পয়সা এবং সয়াবিন মিলের দাম ৫৮ থেকে ৬৬ টাকায় উঠেছে। খাতসংশ্লিষ্টদের হিসাবে, মানসম্মত ফিড উৎপাদন ব্যয়ের ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই কাঁচামাল কেনায় যায়।
ফিডের দাম দুই দফা বাড়ার পর অনেক খামারি মুরগিকে আগের তুলনায় কম খাবার দিচ্ছেন, ফলে কাঙ্ক্ষিত ওজন ও ভালো দাম মিলছে না বলে তারা জানান। খাতসংশ্লিষ্টরা আমদানিকৃত কাঁচামালে কর-শুল্ক কমানো, বাজার তদারকি এবং স্থানীয় উপকরণের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি তুলেছেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বিকল্প ফিড ব্যবহারের চিন্তা করছে এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কৌশল নির্ধারণে সেমিনারের আয়োজনের কথা জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।