ইরানে চলমান যুদ্ধের কারণে লাখ লাখ মানুষ তীব্র ক্ষুধার ঝুঁকিতে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কো। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানির দাম বহুগুণে বেড়েছে, যা ডব্লিউএফপির কার্যক্রমকে ব্যয়বহুল করে তুলেছে এবং বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দামও বাড়িয়েছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে অস্থিরতার কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সারের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, ফলে সুদানের মতো দেশে ফসল উৎপাদন হুমকির মুখে পড়েছে। ডব্লিউএফপি বিভিন্ন সরকারের অনুদানের ওপর নির্ভরশীল হলেও বর্তমানে তহবিলে বড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ২০২৬ সালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুদান ছিল প্রায় ৭৩১ মিলিয়ন ডলার, যেখানে ২০২৪ সালে তা ছিল ৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
স্কো সতর্ক করে বলেন, দরিদ্র দেশগুলোতে খাদ্যের দাম ২০–৩০ শতাংশ বাড়লে মানুষ ২০–৩০ শতাংশ কম খাবার খায়। মার্চে ডব্লিউএফপি জানিয়েছিল, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে থাকলে জুলাইয়ের মধ্যে আরও ৪৫ মিলিয়ন মানুষ তীব্র ক্ষুধায় পড়বে। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি এখনই খুললেও এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।