Web Analytics

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল চলতি বছরের জুলাইয়ে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া: দ্য সাপ্লাই অব ওয়েপন্স অ্যান্ড মিউনিশন্স টু ইসরাইল’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় সামরিক আগ্রাসনের পুরো সময়ে ভারত ইসরাইলে বিপুল অস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও গোলাবারুদের উপাদান পাঠিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে, এই রপ্তানি ইসরাইলের চলমান গণহত্যায় উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি তৈরি করছে। উৎসে ভারতসহ বিভিন্ন দেশে বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে পেলেট গান ব্যবহারের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।

পেলেট গানকে ১২-বোর পাম্প-অ্যাকশন শটগান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যার একটি কার্তুজ থেকে শত শত ধাতব ছররা বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ভারত ২০১০ সালে কাশ্মীরে এটি ব্যবহার শুরু করে এবং একে প্রাণঘাতী নয় বা কম প্রাণঘাতী অস্ত্র বলেছে। উৎসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এ অস্ত্রের আঘাতে ২৪ জন নিহত হন। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কাশ্মীরে ১৮ জন নিহত, ২,৯৪২ জন আহত এবং ১,৪৫৯ জনের গুরুতর চোখের আঘাতের ঘটনা ঘটে; ১৩৯ জন অন্ধ হন।

উৎসে বলা হয়েছে, কৃষক বিক্ষোভ, মণিপুর এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের মিছিল ঠেকাতেও পেলেট গান ব্যবহার করা হয়। দিল্লিতে অন্তত ১০ জন আহত হন। ফিলিস্তিন, চিলি, বাংলাদেশ ও ইরানেও এ অস্ত্র ব্যবহারের উল্লেখ করে লেখাটি বলেছে, জবাবদিহির অভাবের মধ্যে বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে পেলেট গানের ব্যবহার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।