Web Analytics

তাইওয়ানকে চীনের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাম্প্রতিক মন্তব্যে কুয়ালালামপুর বেইজিংয়ের দিকে ঝুঁকছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তাইওয়ানকে তিনি চীনের অংশ হিসেবে দেখেন এবং বিষয়টি সর্বত্র স্বীকৃত। চীন শক্তি প্রয়োগ করলে নিন্দা করবেন কি না—এ প্রশ্নে তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদ ঠেকাতে মালয়েশিয়ার শক্তি ব্যবহারের উদাহরণ দেন। পরে তিনি বলেন, মালয়েশিয়া চীনের অবস্থানকে সম্মান করলেও তাইওয়ান প্রণালির উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।

চীন আনোয়ারের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে এবং তাইওয়ানকে তাদের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেছে। তাইওয়ান সরকার মন্তব্যটির নিন্দা করে বলেছে, চীনের প্রতি একপেশে সমর্থন মালয়েশিয়ায় বিনিয়োগে তাইওয়ানি প্রতিষ্ঠানের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাইওয়ানের প্রতিষ্ঠানগুলোর মালয়েশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বড় বিনিয়োগ রয়েছে। অন্যদিকে চীন বর্তমানে মালয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার এবং বিভিন্ন বিনিয়োগ প্রকল্পের বড় উৎস।

বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ানকে চীনের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার স্বীকৃতি নতুন নয়; ১৯৭৪ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের যৌথ বিবৃতিতে এর ভিত্তি ছিল। তবে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আনোয়ারের মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারা আরও বলছেন, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় আছে, যার উদাহরণ ফাইভ পাওয়ার্স ডিফেন্স অ্যারেঞ্জমেন্ট। সাবাহর প্রতিরক্ষা জোরদারের আহ্বানও চীনপন্থী অবস্থানের বদলে সীমান্ত নিরাপত্তার স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।