মিয়ানমার সরকার নয়টি রাজ্য ও অঞ্চলের ৬০টি টাউনশিপে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। শুক্রবার স্থানীয় গণমাধ্যমে জানানো হয়, চলমান সশস্ত্র সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্টের দপ্তর এই পদক্ষেপ নেয়। ঘোষণার মাধ্যমে প্রশাসনিক ও বিচারিক ক্ষমতা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যিনি পরে আঞ্চলিক কমান্ডারদের কাছে এসব ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজন অনুযায়ী কমান্ডাররা অধস্তন কর্মকর্তাদের মধ্যেও দায়িত্ব বণ্টন করতে পারবেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট টাউনশিপগুলো কার্যত সামরিক নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে, যেখানে প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থায় সেনাবাহিনীর প্রভাব বেড়েছে। এখন বেসামরিক নাগরিকদের বিচার সামরিক ট্রাইব্যুনালে হতে পারে, যেখানে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড থেকে শুরু করে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া সম্ভব।
এর আগে প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং সরকারবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য ১০০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেন এবং ২০১৫ সালের ন্যাশনওয়াইড সিজফায়ার এগ্রিমেন্টে স্বাক্ষরকারী ও অসাক্ষরকারী উভয় পক্ষকে আলোচনায় আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।