সিরিয়ায় ইসরাইলি বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে তেলআবিব ও আঙ্কারার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। তবে তুরস্ককে শত্রুতে পরিণত করতে চায় না ইসরাইল। ইসরাইলের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংঘাত এড়াতে দুই দেশের মধ্যে গোপন যোগাযোগের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। আমার দেশ অনলাইন ২৩ আগস্ট ২০২৬ এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
কান নিউজকে ওই কর্মকর্তা বলেন, বার্তাগুলো কোনো কাজে না এলে ইসরাইলকে পদক্ষেপ নিতে হয়। ইসরাইল সতর্ক করেছে, সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠলে তা প্রতিহত করা হবে। বিশেষ করে সিরিয়ায় তুরস্কের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোতায়েন ঠেকানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে দেশটি।
এই প্রেক্ষাপটে উত্তর সিরিয়ার আবু আল-দুহুর সামরিক ঘাঁটির অবকাঠামো ও রানওয়েতে হামলা চালায় ইসরাইল। তেলআবিবের দাবি, তুর্কি সামরিক সরঞ্জাম সেখানে পৌঁছানোর আগেই হামলা চালিয়ে দামেস্ককে বার্তা দেওয়া হয়েছে। ইসরাইল বলেছে, সিরিয়ার সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাদের আপত্তি নেই, তবে সীমান্তে নতুন নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। তুরস্ক হামলার সময় ঘাঁটিতে তুর্কি প্রতিনিধি বা সেনা থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।