বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছে, নবম জাতীয় পে-স্কেলের চূড়ান্ত গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি। তবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ হয়েছে—এমন জনধারণা তৈরি হওয়ায় দ্রব্যমূল্য বেড়েছে বলে সংগঠনটির দাবি। শনিবার খুলনা বিভাগীয় কমিটির আয়োজিত সমাবেশে নেতারা এসব কথা বলেন।
সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক ১২ বছর পর নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানান, তবে বলেন কর্মচারীরা ১১ বছর ধরে অপেক্ষায় আছেন। ১৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা বাদ দিয়ে প্রথম ধাপে হাতে আসার কথা যে অর্থ, তা হতাশাজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন। বাড়িভাড়া ও বৈশাখী ভাতা কোথাও ৫ শতাংশ, কোথাও ১০ শতাংশ কমানোর সুপারিশের খবর এবং শিক্ষা ভাতায় প্রত্যাশিত পরিবর্তন না থাকায় কর্মচারীদের হতাশার কথাও উঠে আসে।
সংগঠনটি মূল বেতন এক ধাপে বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনে ভাতা ধাপে ধাপে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। মহাসচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, গোপন সুপারিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অসন্তোষ বেড়েছে এবং সরকারের স্পষ্ট অবস্থান দরকার। বক্তারা ভাতা পুনর্বিবেচনা, পে-ফিক্সেশন ও সফটওয়্যার জটিলতা নিরসন এবং কর্মচারীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত গেজেট প্রকাশের আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।