কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের সিংরাইশ মাস্টারবাড়ি এলাকায় শুক্রবার রাতে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। হামলায় একটি পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িসহ সাতটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। শনিবার বিকেলে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবদুস সাত্তারের ছেলে মো. সবুজ ও আমির ইসলামের ভাতিজা রেজাউল করিমের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে রেজাউল করিমকে যুবলীগ নেতা বাচ্চু মিয়া মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরদিন রাতে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলাকালে বাচ্চু মিয়া দলবল নিয়ে হামলা চালান। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বাচ্চু মিয়া আগে ক্ষমতাসীন দলের সময় এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছিলেন এবং পরে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের সমর্থক হন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বাচ্চু মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।