জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে রাজশাহীতে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা অভিযোগপত্রে কয়েকজন আলোচিত ব্যক্তির নাম না থাকায় ক্ষোভ ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। গত ৩০ জুলাই প্রসিকিউশন রাসিকের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেয়। প্রতিবেদনটি ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত হয়।
স্থানীয় আন্দোলনকারীরা সাবেক এমপি শফিকুর রহমান বাদশা ও ফজলে হোসেন বাদশা, সাবেক কাউন্সিলর তরিকুল আলম পল্টুসহ কয়েকজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের আন্দোলনে পল্টুকে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে এবং তার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। পল্টু আলী রায়হান ও সাকিব আঞ্জুম হত্যা মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে আছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্ট শেখেরচক এলাকায় রায়হান আলী গুলিতে নিহত হন এবং শাহ মখদুম কলেজের সামনে আনজুম সাকিব নিহত হন; সালমান ওরফে শিমুলসহ অন্তত ৪৫ জন আহত হন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, নতুন তথ্যপ্রমাণ মিললে সম্পূরক অভিযোগ বা অন্যান্য আইনগত পদক্ষেপের সুযোগ আছে। চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামও বলেন, পরে নতুন প্রমাণ পেলে নাম সংযুক্ত করা সম্ভব।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।