চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার ও গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল সীতাকুণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে একটি নকশাগত ত্রুটি ফায়ার সার্ভিসের জরুরি কার্যক্রমে বড় বাধা সৃষ্টি করছে। ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সামনে স্থায়ী ডিভাইডার থাকায় বিপরীত পাশে কোনো অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব হয় না। জরুরি যানবাহনের জন্য কোনো ক্রসিং, ইউ-টার্ন বা ইমার্জেন্সি পকেট গেট না থাকায় ফায়ার সার্ভিসকে অনেক দূর ঘুরে যেতে হয় বা উল্টো পথে চলতে হয়, ফলে সময় নষ্ট হয় এবং ঝুঁকি বাড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু নকশাগত ত্রুটি নয়, বরং জননিরাপত্তার প্রতি দীর্ঘদিনের অবহেলার ফল। মহাসড়কের বিপরীত পাশে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বাজার ও শিল্পকারখানা থাকলেও সেখানে দ্রুত পৌঁছানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। অগ্নি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, আগুন লাগার প্রথম পাঁচ থেকে দশ মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এই বিলম্বে ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়ন্ত্রিত ইমার্জেন্সি পকেট গেট নির্মাণ করলে এই সমস্যা সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।