কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত বাংলাদেশ টেকসই পুনরুদ্ধার, জরুরি প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া বা বি-স্ট্রং প্রকল্পে কেনাকাটা, দরপত্র, বিল-ভাউচার ও তহবিল ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিনকে এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। বাজারদরের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কেনা, ভুয়া বিল, সরকারি গাড়ির ব্যক্তিগত ব্যবহার এবং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। নিরাপত্তার কারণে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কেউ নাম প্রকাশে কথা বলতে রাজি হননি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কেনাকাটা ও দরপত্রে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় এবং প্রকল্প পরিচালকের আত্মীয়, পরিচিত ও ঘনিষ্ঠজনদের প্রতিষ্ঠানের প্যাড ব্যবহার করা হয়েছে। অফিস কক্ষ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ, কোনো কোনো মাসে ২৫ হাজার টাকার বেশি ভ্রমণ ভাতা উত্তোলন, কৃষকদের জন্য নিম্নমানের বা পুরোনো যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং আর্থিক পরামর্শক আগা আজাহারুল ইসলামের নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
সাবিনা ইয়াসমিন সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন এবং ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সুবিধার জন্য কোনো সম্পদ ব্যবহার করেন না। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম খান বলেছেন, প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটি ২০২৫ সালের এপ্রিলে শুরু হয়েছে; ২০২৮ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। অধিদপ্তরের অংশে বরাদ্দ ১৩১ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।