ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর তিন লক্ষাধিক জেলে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শুরুর দুই সপ্তাহ পরও সরকারি সহায়তা পাননি। সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, নিবন্ধিত জেলেদের দুই মাসে ৮০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে, কিন্তু এখনো চাল বিতরণ শুরু হয়নি। ফলে রমজান মাসে আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন জেলেরা এবং এনজিও ও দাদনদারদের ঋণের চাপে পড়েছেন।
ইলিশের প্রজনন রক্ষায় সরকার ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চর পিয়াল এবং তেঁতুলিয়া নদীর চর ভেদুরিয়া থেকে চর রুস্তম পর্যন্ত মোট ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় দুই মাসের জন্য মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে। এই এলাকায় প্রায় ৯০ হাজার ২০০ জেলে চাল সহায়তা এবং ১৬ হাজার ৬০০ জেলে বিশেষ খাদ্য সহায়তার তালিকায় আছেন। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার দশ দিন পরও কেউ কোনো সহায়তা পাননি।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, নিবন্ধিত জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল দ্রুত বিতরণ করা হবে এবং প্রশাসন বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।