বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। সোমবার রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, অব্যবহৃত সরকারি জমি চিহ্নিত করে সেখানে বড় আকারে সৌর প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে, যার মধ্যে যমুনা নদীর তীরবর্তী খাস জমিও অন্তর্ভুক্ত।
তিনি আরও জানান, রেলওয়ে ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি বিনিয়োগের আওতায় আনা হবে এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের বকেয়া, ডলার সংকট ও জ্বালানি আমদানির উচ্চ ব্যয় বিদ্যুৎ পরিস্থিতিকে জটিল করেছে, তবে আগামী কয়েক সপ্তাহে লোডশেডিং কিছুটা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিডা চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানান, নতুন গাইডলাইনে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য সরকারি জমি ব্যবহার করতে পারবেন এবং ফেনীর সোনাগাজীতে প্রথম পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে।
সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর অর্থনীতি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য নবায়নযোগ্য শক্তি অপরিহার্য। তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সবুজ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।