Web Analytics

ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, দুধকুমার ও তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে গত ৩০ দিনে রংপুর বিভাগে অন্তত ৪০০টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সময়ে অন্তত ৫০ একর আবাদি জমিও হারিয়েছে বলে ৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুরের গঙ্গাচড়া ও নীলফামারীতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে; বহু পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে এবং অনেকে ঘর সরিয়ে নিচ্ছেন।

গত এক মাসে নীলফামারীতে প্রায় ২০০টি, কুড়িগ্রামে ১৫০টি, গাইবান্ধায় ৩০টি, রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ১৭টি এবং লালমনিরহাটে ১৫টি বাড়ি ভেঙেছে। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার চার জেলায় অন্তত ৪০টি স্থানে নতুন ভাঙন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, পাউবোর কর্মকর্তারা পরিদর্শন করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেননি; কোথাও জিও ব্যাগ দিলেও ব্যয়ের অভাবে তা ব্যবহার করা যায়নি।

রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারে এলজিইডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বিশেষ বরাদ্দের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, নতুন ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। গঙ্গাচড়ার বাসিন্দারা সড়ক সংস্কার, বাঁধ রক্ষা ও টেকসই নদীশাসনের দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।