প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর দেশটি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। কোনো স্পষ্ট যুক্তি বা লক্ষ্য ছাড়াই শুরু হওয়া এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে, তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতি তীব্র হয়েছে।
বিশেষ করে উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ক্ষুব্ধ। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ওয়াশিংটন শুধু ইরানকে দুর্বল করতে নয়, বরং অঞ্চলটিকে নতুনভাবে গঠন করতে এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের প্রচেষ্টা ঠেকাতে চায়। তিনি ঘোষণা করেন, ওমান ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রত্যাখ্যান করবে এবং গাজা তত্ত্বাবধানের তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দেবে না। তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ওমানের হতাশা স্পষ্ট হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সম্পর্কগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ছিন্ন না হলেও এই যুদ্ধ মিত্র দেশগুলোকে ভাবতে বাধ্য করছে—ওয়াশিংটনের সঙ্গে বন্ধুত্বের মূল্য আদৌ যুক্তিযুক্ত কি না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।