ভারতে সাম্প্রতিক ব্রিকস সম্মেলনের সময় সম্মেলনকেন্দ্রে যাওয়ার পথে নয়াদিল্লির প্রধান সড়কের পাশে বসন্তবিহার কুলি বস্তি আড়াল করতে পর্দা টানানো হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। জরাজীর্ণ ঘরবাড়ি ও দরিদ্র বাসিন্দাদের দৃশ্য বিশ্বনেতাদের চোখ থেকে লুকানোর উদ্দেশ্য ছিল বলে এতে দাবি করা হয়। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জি-২০ সম্মেলনেও একই বস্তি ঢাকতে একই ধরনের পর্দা ব্যবহার করা হয়েছিল।
প্রতিবেদনটি ঘটনাটিকে ইতালীয় সাংবাদিক ওরিয়ানা ফ্যালাসির ১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেওয়া সাক্ষাৎকারের সঙ্গে তুলনা করেছে। সেই সাক্ষাৎকারের ভূমিকায় নয়াদিল্লির জাঁকজমকপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও চরম দারিদ্র্যের বিপরীত চিত্র বর্ণিত হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্দা টানানোর উদ্যোগটি দারিদ্র্যের বাস্তবতা আড়াল করার বদলে বিষয়টিকে আরও আলোচনায় এনেছে; আম আদমি পার্টির নেতাসহ বিরোধীদের সমালোচনার কথাও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী দৈনিক ৪ দশমিক ২০ ডলারের দারিদ্র্যসীমা ব্যবহার করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ, অর্থাৎ ৩৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ, এর নিচে বাস করে। ইউএনডিপি ও অক্সফোর্ড ওপিএইচআইয়ের বহুমাত্রিক সূচকে ভারতের হেডকাউন্ট রেশিও ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ; অনেক মানুষ পুষ্টি, বাসস্থান, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি বা শিক্ষার মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।