চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন গত দুই অর্থবছরে ২৬ হাজার ১৫০টি বা ৩২.৪ শতাংশ কমেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেলে ৮০ হাজার ৭১৯টি কনটেইনার পরিবহন হলেও ২০২৪-২৫ সালে তা ৬৩ হাজার ১০০টিতে এবং ২০২৫-২৬ সালে ৫৪ হাজার ৫৬৯টিতে নেমে আসে। বর্তমানে বন্দরের মোট কনটেইনার পরিবহনের মাত্র ২ শতাংশ রেলপথে হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকার কমলাপুর ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে রেলপথে কনটেইনার নেওয়া হয়, যা ঢাকাকেন্দ্রিক আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের পণ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে কমলাপুর আইসিডিতে ৫৩ হাজার ৩৪৪ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে ৪১ হাজার ৬২৭ টিইইউ হয়েছে, যা প্রায় ২২ শতাংশ কম। পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিবহন কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বলেন, প্রতিদিন ৬০০টির বেশি কনটেইনার পরিবহনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু সক্ষমতা অনুযায়ী চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।
রেলওয়ে জানিয়েছে, ইঞ্জিন ও লোকবলের সংকট দূর হলে কনটেইনার পরিবহন বাড়ানো সম্ভব। বিদ্যমান ও নির্মাণাধীন সব বন্দর টার্মিনালকে রেলের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল শুরু হওয়া গ্রিন রেলওয়ে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ২১ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬.৬১ শতাংশ। জাতীয় লজিস্টিকস নীতিতে রেলপথের পণ্য পরিবহন অংশ ২-৩ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।