বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচন আবারও বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বর্তমান প্রশাসক ফজলুল হক ২০২৬ সালের ২ আগস্ট দায়িত্ব নেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী, তাঁকে ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত পর্ষদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করার কথা ছিল। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্বাচনের অন্তত ৮০ দিন আগে তফসিল দেওয়ার বিধান থাকায় আগামী জানুয়ারিতেও ভোট হওয়া সম্ভব নয়।
অভ্যন্তরীণ সংস্কার, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং নির্বাচন বোর্ড গঠন নিয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও বিভিন্ন প্যানেলের বিরোধে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আগে বাধাগ্রস্ত হয়। একাধিক রিট ও মামলার পর আদালতের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ এবং দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের কারণে প্রক্রিয়া থেমে যায়। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা সংস্কারের অংশ হিসেবে এফবিসিসিআইয়ের পর্ষদের সদস্যসংখ্যা ৮০ থেকে ৪৮ জনে নামানো, মনোনীত পরিচালক প্রথা এবং নির্বাচনি নিয়ম কঠোর করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
নির্বাচনি বিধিমালা চূড়ান্ত করে এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ফেরত যাওয়ার পর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। ফজলুল হক বলেছেন, বিধিমালা হাতে পাওয়ার পর নির্বাচন সম্পন্ন করতে তাঁদের ১০০ দিন লাগবে। সংস্কার পরিষদের নেতা আতিকুর রহমান বিধিমালার কিছু বিষয়ে আপত্তির কথা জানিয়ে ঋণখেলাপিদের নেতৃত্বে আসার সুযোগ বন্ধের দাবি তুলেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।