পাকিস্তানে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার মধ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকাশ্য বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে সমালোচনা তীব্র হয়েছে। চিকিৎসা, খাদ্য, বিদ্যুৎ ও পরিবহন খরচ সামলাতে সাধারণ মানুষ হিমশিম খাচ্ছে, অথচ শাসকগোষ্ঠীর জীবনযাপনে সেই সংকটের প্রতিফলন খুব কম দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইসলামাবাদের একটি ফার্মেসিতে প্রায় ৪ হাজার রুপির ওষুধের বিল দিতে গিয়ে এক নারী প্রায় ১ হাজার রুপির ওষুধ ফেরত দেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঋণের বোঝা, আয়ের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ বিল, গাড়ির বদলে মোটরসাইকেল ব্যবহার এবং কম দামের খাবার বেছে নেওয়া বহু পরিবারের বাস্তবতা হয়ে উঠেছে। তেলের দাম বাড়লে খাদ্য, পরিবহন, বিদ্যুৎ বিল ও সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়তে পারে। সরকার ভর্তুকি কর্মসূচি পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছে; পাশাপাশি পেট্রল কর, ব্যবসা ও কৃষি আয়ের কর এবং আবাসন খাতের কর-সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
উৎসে দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকটের কথাও বলা হয়েছে। প্রতি হাজার জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুর হার ৪৬ থেকে ৫৮ এবং প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ পর্যাপ্ত ক্যালরি পায় না। সংকটের সময়ে শীর্ষ রাজনীতিকদের বিদেশ সফর ও ব্যক্তিগত বিমানে যাত্রা সমালোচিত হয়েছে, যদিও তারা ব্যয় ব্যক্তিগতভাবে বহনের কথা বলেছেন। প্রতিবেদনের মতে, নির্বাচিত নেতাদের সংযম, সংবেদনশীলতা ও জবাবদিহি দেখানো জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।