যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা ৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিম তীরের ইসরাইলি বসতি থেকে বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, যা এ পদক্ষেপের কার্যকারিতা ও লক্ষ্য নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। নিষেধাজ্ঞাগুলো বসতিতে উৎপাদিত পণ্যকে লক্ষ্য করেছে, তবে ইসরাইলের সঙ্গে বৃহত্তর বাণিজ্য সম্পর্ক অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ঘোষণায় পশ্চিম তীরের বসতিতে উৎপাদিত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধের কথা বলা হয়েছে; খেজুর ও জলপাই তেলসহ কৃষিপণ্য এর আওতায় পড়তে পারে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, নরওয়ে, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়াম আগে বসতি থেকে বাণিজ্য সীমিত বা নিষিদ্ধ করতে পদক্ষেপ নিয়েছিল। আরও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এ ধরনের উদ্যোগে সমর্থন জানিয়েছে। পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ, সহিংসতা, ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ ও অধিকারসংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে এসব বাণিজ্যিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বসতিভিত্তিক বাণিজ্যের পরিমাণ ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মোট বাণিজ্যের তুলনায় খুবই ছোট। তাই অর্থনৈতিক প্রভাবের পাশাপাশি এর রাজনৈতিক ও প্রতীকী গুরুত্বও আলোচনায় এসেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৩৩৪ নম্বর প্রস্তাবে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের ইসরাইলি বসতিগুলোর আইনগত বৈধতা নেই বলা হয়েছে। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের একটি পরামর্শমূলক মতামতেও বসতি-সম্পর্কিত অর্থনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে রাষ্ট্রগুলোর দায়িত্বের বিষয়টি উঠে আসে, তবে সেটি বাধ্যতামূলক রায় নয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।