আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন, যা ২০০৮ সালের পর প্রথমবার শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী তরুণ প্রজন্ম ভোট দিতে আগ্রহী হলেও নতুন রাজনৈতিক বিকল্পের অভাবে হতাশ। রয়টার্সের সাক্ষাৎকারে ৩০ বছরের কম বয়সী ৮০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তবে প্রার্থীদের নিয়ে হতাশ। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সীমাবদ্ধ, আর নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতের সঙ্গে জোট করায় প্রভাব হারিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের ১২৮ মিলিয়ন ভোটারের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি তরুণ, যাদের অংশগ্রহণ নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে প্রধানমন্ত্রী পদে মেয়াদসীমা, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। বাংলাদেশ ইউথ লিডারশিপ সেন্টারের জরিপে দেখা গেছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ৯৭ শতাংশ ভোট দিতে আগ্রহী, যারা বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে প্রায় সমানভাবে বিভক্ত।
তরুণদের একাংশ হতাশ হলেও অনেকে এখনো বিশ্বাস করেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি স্থিতিশীল সরকারই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।