Web Analytics

ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক হামলা থেকে সরে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে এবং সোমবার ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট বলেন, এর লক্ষ্য ইরানের অবশিষ্ট আয়ের উৎস বন্ধ করা। তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পর এই পদক্ষেপ এসেছে।

উপসাগরীয় দেশগুলো আশঙ্কা করছে, নিষেধাজ্ঞার চাপ বাড়লে ইরান মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোয় পাল্টা হামলা চালাতে পারে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই বলেছেন, কোনো উপসাগরীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দিলে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল বের হতে দেওয়া হবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর ইরান কার্যত প্রণালিটিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

ইউএই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা দিলেও সৌদি আরব, কাতার ও ওমান তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পক্ষে থাকতে পারে। কাতার জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়া ও এলএনজি স্থাপনায় হামলার কারণে চাপে রয়েছে, আর ওমান মধ্যস্থতা ও হরমুজ নিয়ে সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান চলাচল ও নৌপরিবহন খাতকে লক্ষ্য করেছে এবং বিভিন্ন স্থানের ৬০টি প্রতিষ্ঠান, জাহাজ ও ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।