২০২৬ সালের ২৯ মার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান আগ্রাসনের ফলে বৈশ্বিক সার সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিপুল পরিমাণ সার হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে। ভারত, আলজেরিয়া ও স্লোভাকিয়ার কারখানাগুলো প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন কমিয়েছে বা বন্ধ করেছে। চীন সার রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার গমচাষিরা উৎপাদন কমিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টা ও সয়াবিনচাষিরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ভর্তুকি চেয়েছেন।
যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে। সার সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দাম বেড়ে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্য, যা রাশিয়ার পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ সার উৎপাদক অঞ্চল, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে এক-তৃতীয়াংশ সার সরবরাহ করে। ইনডিপেনডেন্ট কমোডিটি ইন্টিলিজেন্স সার্ভিসের বিশেষজ্ঞ দিপিকা থাপলিয়াল সতর্ক করেছেন, ঘাটতির কারণে সার ও খাদ্যের দাম বাড়ছে এবং কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো খাদ্যস্বল্পতার মুখে পড়তে পারে। সংস্থার মহাপরিচালক এনগজি ওকোনজো-ইওয়ালা বলেছেন, সংঘর্ষ জ্বালানি, সার ও খাদ্য বাণিজ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।