স্কুলের অব্যবস্থাপনা, শিক্ষক সংকট, জরাজীর্ণ ভবন ও দীর্ঘ শিক্ষাদিবসের প্রতিবাদে মঙ্গলবার ফ্রান্সজুড়ে আড়াই লাখের বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক বিক্ষোভ করেছেন। প্যারিসসহ কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়; পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে। প্রায় ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে এবং ৪৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মার্সেই, নঁত ও লিওঁর অধিকাংশ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশজুড়ে প্রায় ২ লাখ মানুষ অংশ নিলেও আয়োজকদের দাবি অংশগ্রহণকারী প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রায় ৩ হাজার ৭০০ উচ্চবিদ্যালয়ের মধ্যে ৯০০টির বেশি অবরুদ্ধ বা বন্ধ ছিল; শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর দাবি সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৮০০। বিক্ষোভকারীরা ফাটলধরা দেয়াল-ছাদ, পানি চুইয়ে পড়া, ভাঙা শৌচাগার, আসবাবের অভাব এবং অনুপস্থিত শিক্ষকের বদলি না হওয়ায় ক্লাস বাদ পড়ার অভিযোগ তুলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু অনুপস্থিত শিক্ষকের দ্রুত বিকল্প নিয়োগ, দীর্ঘ সময়সূচি পর্যালোচনা ও ভবন সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অগ্নিসংযোগ ও শিক্ষক হামলার নিন্দা করেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ফ্রান্স পুলিশের অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলপ্রয়োগ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ বলেছেন, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে ১০টি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।