Web Analytics

প্রয়োজনীয় গ্যাস ও বিদ্যুৎ না পাওয়ায় বাংলাদেশের শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং পণ্য উৎপাদন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সাভার, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের কারখানার মালিক ও শ্রমিকরা উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, ব্যয় বৃদ্ধি এবং সময়মতো পণ্য সরবরাহ না করতে পারার কথা বলেছেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২২ আগস্ট ২০২৬।

বস্ত্র ও পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলেছেন, ঘন ঘন লোডশেডিং ও কম গ্যাসচাপে বিশেষত গ্যাসনির্ভর ডাইং কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গাজীপুরের সাদামা ফ্যাশনওয়্যারের ডাইং ইউনিট এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে। মোশাররফ কম্পোজিট টেক্সটাইল জানিয়েছে, তাদের উৎপাদন সক্ষমতার ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে নেমেছে। বিকল্প হিসেবে ডিজেল ব্যবহারে কিছু কারখানার মাসিক অতিরিক্ত ব্যয় তিন থেকে ১০ কোটি টাকা হচ্ছে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দৈনিক প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ সাম্প্রতিক সময়ে ১৭৩ কোটি ঘনফুটে নেমেছিল; পরে ২৪৪ কোটি ঘনফুটে উঠলেও আবার ২১৮ কোটি ঘনফুটে নামে। পিডিবি জানিয়েছে, গ্যাসের অভাবে ২১টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ এবং আটটি আংশিক চালু রয়েছে। আগস্টে গড়ে প্রতিদিন ২,০০০ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হয়েছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।