শিশুদের বিনোদন ও খেলাধুলার জন্য বগুড়া মহানগরে গড়ে তোলা সাতটি পার্কই অবকাঠামো ও পরিবেশগত সংকটে রয়েছে। সাতমাথার কাছে শহীদ খোকন পৌর শিশু উদ্যান অনেকটাই ফাঁকা মাঠে পরিণত হয়েছে। সেখানে পর্যাপ্ত রাইড, দোলনা বা খেলাধুলার সরঞ্জাম নেই। হকার, ভ্রাম্যমাণ দোকানি, অপরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের ভোগান্তি হচ্ছে। ২০০৬ সালে আধুনিকায়ন ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্বোধন হলেও পার্কটি শিশুদের উপযোগী করে গড়ে ওঠেনি।
সাতমাথা কেন্দ্রীয় ডাকঘরের পেছনে ও সার্কিট হাউসের উল্টো পাশে অবস্থিত পার্কটি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোহাম্মদ পাইকার খোকনের নামে নামকরণ করা। তবে সেখানে তাঁর জীবন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান তুলে ধরার কোনো ম্যুরাল বা তথ্যসমৃদ্ধ স্মারক নেই। স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মতে, শিশুদের খেলার সরঞ্জাম না থাকায় এটি শিশু উদ্যানের চেয়ে ফাঁকা মাঠ হিসেবেই বেশি মনে হয়। পশ্চিম পাশের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে বহুতল ফুল মার্কেট নির্মাণের পর যাতায়াত ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেছেন, শহীদ খোকন পার্কে আর সভা-সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। তিনি জানান, অ্যাডওয়ার্ড পার্কের আধুনিকায়নসহ সার্বিক কাজ আগামী নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপযুক্ত জায়গা পাওয়া গেলে ওয়ার্ডভিত্তিক মিনি শিশুপার্ক নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।