আমার দেশের ৩০ জুলাই ২০২৬-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার দাবির আন্দোলন কীভাবে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, তার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে শ্রমজীবী মানুষ, অভিভাবক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও যুক্ত হন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৬ জুলাই মুরাদপুরে পুলিশ অভিযান, হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় তিনজন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হন। ১৮ জুলাইয়ের সংঘর্ষে আহত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হৃদয় চন্দ্র তরুয়া পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ১৯ জুলাই কারফিউ, মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ এবং সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েনের পরও বিভিন্ন এলাকায় ছোট মিছিল, দেয়াললিখন ও গোপন সাংগঠনিক কার্যক্রম চলতে থাকে।
আগস্টের শুরুতে বড় মিছিল ও সমাবেশে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করা হয়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে চট্টগ্রামে আনন্দ মিছিল হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক খসড়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৩ জন নিহত এবং ১ হাজার ৭৩৮ জনের বেশি মানুষ আহত হন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।