ভারতে মুসলিম রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মুসলিম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ‘ভোট কাটুয়া’ তকমার ঘন ঘন ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুসলিম পলিটিক্যাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার সভাপতি ড. তাসলিম আহমদ রেহমানি। ক্ল্যারিয়ন ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত তাঁর নিবন্ধভিত্তিক এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রার্থী বিরোধী ভোট ভাগ করে বিজেপিকে সুবিধা দেন—এমন দাবি করতে হলে আসনভিত্তিক তথ্য-প্রমাণ এবং সব দলের জন্য অভিন্ন মানদণ্ড প্রয়োজন।
নিবন্ধে বলা হয়, ভারতের ভোটব্যাংক রাজনীতি শুধু মুসলিমদের মধ্যে সীমিত নয়; ধর্ম, জাতপাত, ভাষা, জাতিগত পরিচয় ও আঞ্চলিক আনুগত্য দীর্ঘদিন ধরে ভোটের আচরণে প্রভাব ফেলেছে। মুসলিম ভোটাররা প্রায়ই নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে পরিচিত দলগুলোকে সমর্থন করেছেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও জাতপাতভিত্তিক দলগুলোর নিজস্ব প্রভাবক্ষেত্রের বাইরে নির্বাচনে অংশগ্রহণও ভোট ভাগ করতে পারে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
রেহমানি মুসলিম দলগুলোর নির্বাচনী প্রভাব নিয়ে রাজ্য ও আসনভিত্তিক নিরপেক্ষ গবেষণার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, দল গঠন ও নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্য সব দলের মতো মুসলিমদেরও গণতান্ত্রিক অধিকার। প্রতিবেদনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আদিবাসী, দলিত ও অন্যান্য অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের সম্ভাবনাও আলোচিত হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।