একটি নিবন্ধে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে কথিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’কে তাৎক্ষণিক ও সম্ভাব্য নিরাপত্তা এবং সামরিক হুমকি মোকাবিলার আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়, চুক্তিটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মনোযোগ পেয়েছে এবং এর তাৎপর্য ও কৌশলগত প্রভাব নিয়ে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। কিছু বিশ্লেষক এর উপযোগিতা, বাস্তবায়নের সম্ভাবনা এবং কথিত সাম্প্রদায়িক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
নিবন্ধটি এসব ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, যৌথ নিরাপত্তা জোট গঠন আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে রাষ্ট্রগুলোর বৈধ অধিকার এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির প্রতিষ্ঠিত রীতি। লেখাটির মতে, তিন দেশ অঞ্চলজুড়ে সংঘাত, সম্ভাব্য কৌশলগত শূন্যতা, ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা এবং আঞ্চলিক ব্যবস্থার ক্ষয় নিয়ে অভিন্ন মূল্যায়ন করে। তাদের পারস্পরিক পরিপূরক সক্ষমতা কৌশলগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধার ও সংঘাতজনিত শূন্যতা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে।
লেখায় সৌদি আরবের কৌশলগত অবস্থান, ধর্মীয় মর্যাদা, তেলসম্পদ, আর্থিক শক্তি, কূটনৈতিক ভূমিকা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সামরিক সক্ষমতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিকল্প জ্বালানি সরবরাহপথ হিসেবে দেশটির বন্দর ও সহায়ক অবকাঠামোর গুরুত্ব সামনে এসেছে। ভিশন ২০৩০-এর অধীনে বিনিয়োগ, পর্যটন, লজিস্টিকস, উৎপাদন, খনিজ, নবায়নযোগ্য ও পারমাণবিক শক্তি এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনেও কার্যক্রম সম্প্রসারণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।