১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তারেক রহমান উন্নয়নমূলক ও নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, যিনি অতীতে পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলেন, বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নিচ্ছেন। তার পরিকল্পনায় শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং নৈতিক মূল্যবোধ জোরদার করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি শিক্ষক সংকট, পাঠদানের মান এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে। জাতীয় পত্রিকাগুলোতে শিক্ষামন্ত্রী মিলন ও প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের নেতৃত্বে শিক্ষা খাতে নতুন গতি ও শৃঙ্খলার প্রচেষ্টা আলোচিত হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়েছে, আধুনিক শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইভিত্তিক নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি বিকাশে সহায়ক হওয়া উচিত।
সংস্কারের মূল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষা সম্প্রসারণ, এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণা তহবিল বৃদ্ধি। নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের সামনে এখন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।