চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের সমুদ্রসীমায় ‘গুপ্তচর কচ্ছপ’ ও ‘গুপ্তচর মাছ’ ব্যবহার করে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে। শুক্রবার উইচ্যাটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, এসব প্রাণীর শরীরে সেন্সর বসিয়ে পানির তাপমাত্রা, লবণাক্ততা ও সমুদ্রস্রোতের তথ্য সংগ্রহ করে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হচ্ছিল। মন্ত্রণালয় একে সমুদ্রে চলমান এক ‘অদৃশ্য গোপন যুদ্ধের’ অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে, তবে কোন দেশ বা সংস্থা এর পেছনে রয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিদেশি একটি সামুদ্রিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের স্থাপন করা কিছু ভাসমান বয়া ও সৌরশক্তিচালিত ‘ওয়েভ গ্লাইডার’ শনাক্ত করা হয়েছে, যেগুলো চীনা সাবমেরিনের শব্দগত স্বাক্ষর পর্যবেক্ষণ ও সামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য তথ্য বিদেশে পাঠাতে সক্ষম। দক্ষিণ চীন সাগর, পূর্ব চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালিকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই গুপ্তচরবৃত্তি ও নজরদারির অভিযোগ তুলে আসছে চীন।
চীনা গণমাধ্যমের তথ্যমতে, দেশের জলসীমায় সন্দেহজনক নজরদারি যন্ত্র শনাক্ত বা উদ্ধার করলে জেলেরা ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ ইউয়ান পর্যন্ত পুরস্কার পেতে পারেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।