শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নিয়েছে। দুই মাসেরও বেশি সময় নীরব থাকার পর মন্ত্রণালয়গুলো পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস এবং তাড়াহুড়ো করে ফল প্রকাশের অভিযোগের কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া রিভিউ করা হতে পারে এবং একটি কমিটি বিষয়টি তদারক করবে।
গত ৯ জানুয়ারি ৬১ জেলায় লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। ১ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ যাচাই সম্পন্ন হলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া রহস্যজনকভাবে স্থগিত রয়েছে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী দ্রুত যোগদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এবং জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।
দীর্ঘ বিলম্বে প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা সতর্ক করেছেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।