শনিবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, তবে বৈঠকের আগেই দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রতিনিধিদল রওনা হয়েছে এবং ইরানি প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে পৌঁছেছেন। মঙ্গলবার ঘোষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ সাময়িকভাবে থামিয়েছিল, কিন্তু ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়।
চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে, বিশেষ করে এটি লেবাননে ইসরাইলের আগ্রাসনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য কি না তা নিয়ে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি ও ইরানের আটকে থাকা সম্পদ মুক্ত না হলে আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই তা ভেস্তে যেতে পারে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়াশিংটন তেহরানের পূর্বশর্ত মেনে নিলেই কেবল আলোচনা শুরু হবে।
অন্যদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, কোনো চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করবে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, জব্দকৃত সম্পদ, পারমাণবিক কর্মসূচি ও লেবানন ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে গভীর বিভাজন রয়ে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।