বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ব্যাংকঋণ নিয়ে বিদেশে অর্থপাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৪২টি ঋণখেলাপি গ্রুপ চিহ্নিত করেছে। ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব গ্রুপের মোট খেলাপি ঋণ ২৫৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা ১২৩ টাকা ৮০ পয়সা প্রতি ডলার হিসাবে প্রায় ৩১ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা। চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২২ কোটি ১৯ লাখ ডলার পাচারের তথ্যও শনাক্ত হয়েছে।
চিহ্নিত গ্রুপগুলোর মধ্যে এসবি এক্সিম, হাবিব, ইয়াসীর, এডব্লিউআর, লিবার্টি, প্রিমিয়ার, লস্কর ও সাদ মুসা গ্রুপ রয়েছে। এসবি এক্সিমের ২ কোটি ৬৮ লাখ, হাবিবের ১৩ কোটি ৪১ লাখ, ইয়াসীরের প্রায় ৪ কোটি এবং এডব্লিউআরের প্রায় ২ কোটি ডলার পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি ডেটাবেজ অনুযায়ী, ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্বিতীয় দফায় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
বিদেশি সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারে আটটি আন্তর্জাতিক আইনি ও পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো ‘নো উইন, নো পে’ ভিত্তিতে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। সম্পদ শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনে তা ফ্রিজ বা জব্দ করে আদালতের প্রক্রিয়ায় অর্থ দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।