কলামিস্ট মাহমুদুর রহমানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সামরিক ও কূটনৈতিক ব্যর্থতার পর ভারত এখন আন্তর্জাতিকভাবে ক্রমশ একঘরে হয়ে পড়ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের প্রভাব একসময় তার আকার ও অর্থনৈতিক শক্তির কারণে প্রভাবশালী ছিল, কিন্তু পাকিস্তানের প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত অগ্রগতির পর সেই আধিপত্য দুর্বল হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের বিমানযুদ্ধে পাকিস্তান চীনের সহায়তায় ডিজিটাল যুদ্ধকৌশল ব্যবহার করে ভারতের ওপর সাফল্য অর্জন করে, যা ভারতের জন্য বড় ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।
রহমানের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি পুনর্মূল্যায়ন করেছে এবং ওয়াশিংটন পাকিস্তানের বিজয় স্বীকার করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, নরেন্দ্র মোদির হিন্দুত্ববাদী নীতি ও দুর্বল কূটনীতি ভারতের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও দুর্বল করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোও ভারতের প্রতি ভীতিনির্ভর নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বলে তিনি সমালোচনা করেন।
প্রবন্ধের শেষাংশে তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে ভারতের প্রভাবের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার জন্য প্রশংসা করেন এবং তরুণ নেতৃত্বকে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।