রয়টার্সের চারটি সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ইরান ১৩ জুলাই তেহরান থেকে মাহান এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের কাছে আইআরজিসি কমান্ডার, সামরিক উপদেষ্টা, মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন-সংক্রান্ত সরঞ্জাম পাঠিয়েছে। সানা বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় হুতিনিয়ন্ত্রিত রাজধানীর বদলে ফ্লাইটটি হুতিনিয়ন্ত্রিত হোদেইদা বন্দরে অবতরণ করে বলে দুই ইরানি কর্মকর্তা জানান।
সূত্রগুলোর মধ্যে দুই ইরানি কর্মকর্তা, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারের তথ্যমন্ত্রী এবং একজন আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক রয়েছেন। তাঁদের মতে, লোহিত সাগরে হুতিদের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোই এ পদক্ষেপের উদ্দেশ্য। একটি সূত্র বলেছে, নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনায় প্রশিক্ষণ ও অভিযানে সহায়তার জন্য কমান্ডারদের পাঠানো হয়; অর্থায়নের জন্য স্বর্ণও পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইরান তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি এবং অতীতেও হুতিদের সামরিক সহায়তার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হুতি কর্মকর্তা আবদেল রহমান আল-আহনোমি বলেন, ফ্লাইটে কেবল বেসামরিক যাত্রী ছিলেন। ইরানের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, হুতি প্রতিনিধিদল ও চিকিৎসা নেওয়া ইয়েমেনি নাগরিকদের ফেরানোই ফ্লাইটটির উদ্দেশ্য ছিল। ইয়েমেনি তথ্যমন্ত্রী মুয়াম্মার আল-ইরিয়ানি অভিযোগ করেন, এটি নৌ নিরাপত্তায় সংকট তৈরির চেষ্টা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।