বাংলাদেশের তরুণ গবেষক মারজানা আক্তার ২০২৬ সালের ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। ভাইরোলজি, মাইক্রোবায়োলজি, সংক্রামক রোগ, বায়োসেফটি ও বায়োসিকিউরিটি নিয়ে কাজের জন্য তিনি এই স্বীকৃতি পেয়েছেন। উৎসে এটিকে তার গবেষণাজীবনের বড় অর্জন এবং বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে মারজানা জাতিসংঘের ‘ইয়াং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপ ২০২৫’-এ বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে নির্বাচিত হন। তার মতে, এই অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে বিজ্ঞান কেবল গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে গবেষণাগারের নিরাপত্তা, সংবেদনশীল জৈব উপাদান ও প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ, বৈশ্বিক স্বাস্থ্যনিরাপত্তা এবং বিজ্ঞান কূটনীতিও যুক্ত। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেও এশিয়ার সেরা বিজ্ঞানীদের সারিতে পৌঁছানো সম্ভব।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় তিনি মাইক্রোবায়োলজি, ভাইরোলজি, মলিকুলার ডায়াগনস্টিকস ও প্রাণিসম্পদ-সম্পর্কিত রোগজীবাণু নিয়ে কাজ করেন। তার লক্ষ্য রোগ প্রতিরোধ, বায়োসেফটি, বায়োসিকিউরিটি সচেতনতা, ওয়ান হেলথ প্রস্তুতি ও প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণে অবদান রাখা। গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশে শক্তিশালী বায়োসেফটি ও বায়োসিকিউরিটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চান তিনি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।